Skip to content
Edit Content
বুধবার,১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  • অর্থনীতি
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • আক্কেল চাচার চিঠি
  • মতামত
  • জাতীয়
  • খেলাধুলা
  • ইসলামী জাহান
  • এক্সক্লুসিভ
  • রাশিফল
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্যকথা
  • ফিচার
  • প্রবাস
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • জীবনধারা
  • আবহাওয়া
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা-বার্তা
  • সম্পাদকীয়
  • পাঠকের কলাম
  • ফটোগ্যালারি
  • ভিডিও গ্যালারি
বুধবার,১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বুধবার,১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Facebook-f Instagram X-twitter Youtube
  • কনভার্টার
  • সর্বশেষ
  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • আইন-আদালত
  • সর্বশেষ
  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • সারাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • অর্থনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • আইন-আদালত
  • ইসলাম

ইসলামের প্রথম বিজয়, ঐতিহাসিক বদর দিবস আজ

  • ডেস্ক রিপোর্ট, মেহেরুন নেছা
  • মার্চ ৭, ২০২৬
  • ৬:২১ পূর্বাহ্ণ

 

 

ইতিহাস কেবল অতীতের গল্প নয়; বরং ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষার আয়না। সে আয়নায় ধুলা জমলে জাতি নিজের পরিচয়ও হারিয়ে ফেলে। মুসলিম উম্মাহর গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাসের অন্যতম উজ্জ্বল অধ্যায় হলো গাজওয়ায়ে বদর। এ যুদ্ধ শুধু একটি সামরিক সংঘর্ষ ছিল না; বরং এটি ছিল ঈমান, নেতৃত্ব ও তাওয়াক্কুলের এক ঐতিহাসিক পরীক্ষা।

প্রেক্ষাপট : মক্কা থেকে মদিনা

নবুয়তের সূচনালগ্নে মহানবী হজরত মুহম্মদ (সা.)-এর দাওয়াত মক্কার কুরাইশ নেতারা সহজভাবে গ্রহণ করেনি। যিনি এক সময় ‘আল-আমিন’ নামে পরিচিত ছিলেন, তিনি ইসলাম প্রচারের কারণে দ্রুত বিরোধিতার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হন। মক্কায় ১৩ বছরের দাওয়াতি জীবনে মুসলমানদের ওপর বিভিন্ন নির্যাতন ও ষড়যন্ত্র নেমে আসে। পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করলে আল্লাহর নির্দেশে মহানবী (সা.) ইয়াসরিবে (বর্তমান মদিনা) হিজরত করেন।

সেখানে তিনি একটি সুসংগঠিত সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপন করেন। মসজিদে নববী প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ইবাদত, শিক্ষা ও প্রশাসনের কেন্দ্র গড়ে তোলেন। প্রণয়ন করেন ‘মদিনা সনদ’, যাকে ইতিহাসের প্রথম লিখিত সংবিধান হিসেবে অভিহিত করা হয়। মুহাজির ও আনসারদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব স্থাপনের মাধ্যমে সামাজিক সংহতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন।

অন্যদিকে কুরাইশরা হিজরতের পরও তাদের শত্রুতা অব্যাহত রাখে। তারা বিপুল পুঁজি বিনিয়োগ করে বাণিজ্য কাফেলা পাঠাতে থাকে এবং সে অর্থের জোরে মদিনা আক্রমণের পরিকল্পনা করতে থাকে, যেন মুহম্মদ (সা.) ও তাঁর সঙ্গীদের চিরতরে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যায়।

বদর যুদ্ধের সূচনা

হিজরি দ্বিতীয় সনের রজব মাসে ‘নাখলা’ অঞ্চলে একটি খণ্ডযুদ্ধের ঘটনা ঘটে, যা কুরাইশদের প্রতিশোধস্পৃহা আরো উসকে দেয়। পরবর্তীতে সিরিয়া থেকে ফেরত আসা একটি বাণিজ্য কাফেলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে পৌঁছে। মক্কার মুশরিকরা গুজব ছড়িয়ে দেয়—মুসলিমরা ওই কাফেলায় হামলা করেছে।

এ প্রেক্ষাপটে মক্কার কুরাইশরা প্রায় এক হাজার সৈন্য নিয়ে যুদ্ধের প্রস্তুতি নেয়। অন্যদিকে মুসলিম বাহিনীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৩১৩ জন। তাদের ছিল মাত্র দুটি ঘোড়া ও ৭০টি উট। বিপরীতে কুরাইশদের ছিল প্রায় ১০০ ঘোড়া, ৬০০ লৌহবর্ম এবং বিপুল সামরিক সরঞ্জাম। যুদ্ধ মুসলমানদের কাম্য ছিল না; কিন্তু পরিস্থিতি একে অনিবার্য করে তোলে।

হিজরি দ্বিতীয় সনের ১৭ রমজান, মদিনা থেকে প্রায় ৮০ মাইল দূরে বদর উপত্যকায় ইসলামের প্রথম সশস্ত্র যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যা ইতিহাসে Battle of Badr নামে পরিচিত।

যুদ্ধের প্রাক্কালে রাসুলুল্লাহ (সা.) আন্তরিকভাবে দোয়া করেন)‘হে আল্লাহ! যদি এই দলটি ধ্বংস হয়ে যায়, তবে পৃথিবীতে আপনার ইবাদত করার মতো আর কেউ থাকবে না।’ (আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া)

বেজে ওঠে যুদ্ধের দামামা। ঐতিহাসিক বর্ণনা অনুযায়ী, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রার্থনা ও মুসলিম বাহিনীর সাহায্যের পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহতায়ালা প্রেরণ করেন এক হাজার ফেরেশতা। আবু জাহেল, ওতবা, শাইবার মতো কুরাইশদের প্রভাবশালী নেতারা যখন একের পর এক নিহত হতে লাগল, তখন পরাজয়ের গ্লানি নিয়ে হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে কুরাইশরা ময়দান থেকে পলায়ন করল। মুসলিমদের ১৪ জন শাহাদতবরণ করেন। অপরদিকে কুরাইশদের ৭০ জন নিহত ও ৭০ জন বন্দি হয়।

বদরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য

বদরের গুরুত্ব বহুমাত্রিক—সামরিক সাফল্য : একটি নিরস্ত্র বাহিনী একটি শক্তিশালী অস্ত্রসজ্জিত বাহিনীর ওপর ঐতিহাসিক বিজয়। রাজনৈতিক বৈধতা : মদিনা রাষ্ট্রের অবস্থান সুদৃঢ় হয়, ফলে বহির্বিশ্বে মদিনা রাষ্ট্রের শক্তিমত্তা ও প্রভাব-প্রতিপত্তি জানান দেয়। অর্থনৈতিক প্রভাব : কুরাইশদের বাণিজ্যিক প্রাধান্যে ধাক্কা লাগে, যা অর্থনৈতিকভাবে তাদের ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। মনস্তাত্ত্বিক দৃঢ়তা : মুসলিমদের আল্লাহর প্রতি তাওয়াক্কুল ও আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

এটি ছিল এমন এক সন্ধিক্ষণ, যেখানে মুসলিম বাহিনী নিজেদের অস্তিত্ব কেবল রক্ষা করেনি; বরং অপরাজেয় দৃশ্যমান শক্তি হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠা করে, যা মদিনা ইসলামি রাষ্ট্রের ভিত্তিকে বহির্বিশ্বে সমুন্নত করে।

বদর যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা প্রতিষ্ঠিত হয়—আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল, নববী নেতৃত্বের অকুণ্ঠ আনুগত্য ও কৌশলগত প্রস্তুতি একত্রিত হলে অসম শক্তির দুর্গও ভেঙে দেওয়া সম্ভব। বদর প্রমাণ করেছে, আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা শুধু টিকে থাকতেই পারে না; বরং তা ইতিহাসের গতিপথও পরিবর্তন করতে সক্ষম।

সমকালীন শিক্ষা

মুসলিম উম্মাহ আজ বহুমাত্রিক সংকটে নিমজ্জিত—রাজনৈতিক অস্থিরতা, সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন, সাংস্কৃতিক আধিপত্য, মানসিক পরাধীনতা ও আত্মপরিচয়ের সংকট। নিজেদের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস পাঠ ও ধারণের অভাব এবং আল্লাহতায়ালার অবধারিত বিধান থেকে দূরে সরে যাওয়ার প্রবণতার ফলে মুসলিম উম্মাহ আজ সাম্রাজ্যবাদের দাসে পরিণত হয়েছে। অথচ ইতিহাস সাক্ষী, প্রতিকূলতার অন্ধকার ভেদ করে একদা উম্মাহ আত্মমর্যাদা, ঐক্য ও দৃঢ়প্রত্যয়ে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছিল অর্ধপৃথিবীর শাসক হিসেবে।

বদর আমাদের জানান দেয়—সংখ্যা নয়; বরং আদর্শিক চেতনা, কৌশলগত প্রজ্ঞা ও ঐক্যবদ্ধ উম্মাহই প্রকৃত শক্তি। উম্মাহ আজ বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। আত্মপরিচয়ের দুর্বলতা তাদের পশ্চাৎপদ করে দিচ্ছে। আর বদরের প্রেরণাই ছিল শত প্রতিকূলতার মধ্যে কীভাবে পুনঃজাগরণের বীজ বপন করা যায়।

তাই ১৭ রমজান কেবল বদরের স্মৃতিচারণের দিন নয়; বরং এটি উম্মাহর আত্মসমালোচনা ও পুনঃজাগরণের আহ্বান। অস্তিত্বের শিকড়ে ফিরে গিয়ে আদর্শিক চেতনা, জ্ঞানচর্চা ও ঐক্য প্রতিষ্ঠাই হোক পুনঃজাগরণের সূচনা।

মন্তব্য করুন

ঢাকায় কাটা হাত-পা উদ্ধারের পর সাভারে নদী থেকে মিলল দেহের খণ্ডিত অংশ

মার্চ ২, ২০২৬

হালকা বা বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ : এক কেন্দ্রের ফলাফলে পিছিয়ে রুমিন ফারহানা

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

বগুড়া-৬ আসনে ১২ কেন্দ্রের ফলাফলে এগিয়ে তারেক রহমান

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬

সৌদিতে অনুমতি ছাড়া নির্বাচনি সভা, বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আটক

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫

আদিবাসীদের জীবন বদলের গল্প

ডিসেম্বর ২৭, ২০২৫
সর্বশেষ সব খবর
জনপ্রিয় সব খবর

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

নেত্রকোনার মদন প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মার্চ ১১, ২০২৬

নেত্রকোনা জেলার মদন উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে

ঝিনাইদহে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ইফতার মাহফিল

মার্চ ১১, ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত

চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতার মৃত্যু

মার্চ ১১, ২০২৬

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষে আহত জামায়াতের এক

ঈদুল ফিতর ও জাতীয় দিবস সামনে রেখে প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি তাড়াইলে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

মার্চ ১১, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে

ঈদুল ফিতর ও জাতীয় দিবস সামনে রেখে প্রস্তুতি সভার পাশাপাশি তাড়াইলে আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত

মার্চ ১১, ২০২৬

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে

  • Ariful Islam
  • editor@ajker-khobor.com
Facebook-f Youtube X-twitter Linkedin-in

যোগাযোগ

  • Nikunja-2, Road No. 1/A Cemetery Road, Dhaka
  • 8809639113691
  • jkerkhobur@gmail.com

দরকারি লিংক

  • আমাদের সম্পর্কে
  • কপিরাইট তথ্য
  • প্রাইভেসি ও পলিসি

স্বত্ব © ২০২৬ আজকের খবর Website Developed by Link – https://www.facebook.com/ObayedCommunicationIt

বুধবার,১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
  • দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  • অর্থনীতি
  • তথ্য ও প্রযুক্তি
  • আক্কেল চাচার চিঠি
  • মতামত
  • জাতীয়
  • খেলাধুলা
  • ইসলামী জাহান
  • এক্সক্লুসিভ
  • রাশিফল
  • রাজনীতি
  • বিনোদন
  • স্বাস্থ্যকথা
  • ফিচার
  • প্রবাস
  • সারাদেশ
  • আইন-আদালত
  • জীবনধারা
  • আবহাওয়া
  • আন্তর্জাতিক
  • শিক্ষা-বার্তা
  • সম্পাদকীয়
  • পাঠকের কলাম
  • ফটোগ্যালারি
  • ভিডিও গ্যালারি
বুধবার,১৮ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ,৪ঠা চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ