এরমধ্যে কুমিল্লা জেলার ১১টি আসনের পোস্টাল ব্যালটের ফলাফলের প্রতিটিতেই জয়ী হয়েছেন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা। কুমিল্লা-৪ আসনে ১১ দলীয় জোটের শরিক ও এনসিপির প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহর সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান ৫ হাজার ৮১৫। এ আসনে চূড়ান্ত ফলাফলেও বিজয়ী হয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ। পোস্টাল ব্যালটে তিনি পেয়েছেন ৬ হাজার ৫৬ ভোট। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. আ. জসিম উদ্দিন পেয়েছেন ২৪১ ভোট।

চাঁদপুর, নোয়াখালী এবং লক্ষীপুর জেলার সবগুলো আসনেই ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা পোস্টাল ব্যালটে বিজয়ী হয়েছেন। এরমধ্যে চাঁদপুর জেলার ৫টি আসনের মধ্যে পোস্টাল ব্যালটে সর্বোচ্চ ভোটের হার রয়েছে চাঁদপুর-৩ আসনে। এই আসনে পোস্টালে ভোট পড়েছে ৭১ দশমিক ৫৯ শতাংশ। ওই আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়ার সঙ্গে বিএনপির প্রার্থী শেখ ফরিদ আহম্মেদের ভোটের ব্যবধান ২ হাজার ২৬০টি। শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ৪ হাজার ৫৪ ভোট। আর শেখ ফরিদ আহম্মেদ পেয়েছেন ১ হাজার ৭৯৪ ভোট।

এদিকে পোস্টাল বিডি অ্যাপে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করেছিল ফেনী-৩ আসনে। এই আসনে নিবন্ধন করেছিলেন ১৬ হাজার ৩৮ জন। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী আব্দুল আউয়াল মিন্টু পোস্টাল ব্যালটে পেয়েছেন ৩ হাজার ১৯৬ ভোট। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুদ্দিন পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৩৯ ভোট। যদিও চূড়ান্ত ফলাফলে বিজয়ী হয়েছেন আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

আবার চট্টগ্রাম জেলার ১৬টি আসনের মাত্র একটিতে পোস্টাল ব্যালটে জয় পেয়েছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী। চট্টগ্রাম-১২ আসনে বিএনপি প্রার্থী মো. এনামুল হক পোস্টাল ব্যালটে ভোট পেয়েছেন ৯৬৪টি। আর তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ফরিদুল আলম ভোট পেয়েছেন ৭৬৪ ভোট। অর্থাৎ পোস্টাল ভোটে ২০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি।