চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথী মিত্রের দৃষ্টান্ত। চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার মাখালডাঙ্গা ইউনিয়নের মাখালডাঙ্গা বড় বিল হতে চিত্রা নদী পর্যন্ত নিমজ্জিত ও পরিত্যক্ত খালটি খনন করা হয়। বর্তমান সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া খাল খনন কর্মসূচির ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ০.৮০০ কি.মি খালটি খনন কার্যের সরকারি বরাদ্দ ছিল।
গণপ্রজাতন্ত্রী সরকারের প্রধান মন্ত্রীর দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির আওতায় গত ২৮ এপ্রিল -২০২৬ এ খাল খনন শুরু হয়েছিল। কাজের মেয়াদ ছিলো ৪৩ দিন।। খাল খনন শেষে দুই পারে গাছ লাগানোসহ অন্যান্য কাজ করা হয়।
চুয়াডাঙ্গায় খাল খনন শেষে বেঁচে যাওয়া ১৯ লাখ ৭১ হাজার ৯৯৪ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়। খাল খননে মোট বরাদ্দ ছিলো ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৫৫ টাকা। খনন কাজে সর্বমোট ব্যয় হয়েছে ৩১ লাখ ৮২ হাজার ১ টাকা।
চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার তিথি মিত্র বলেন, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে আয়-ব্যয়ের হিসাব শেষে এ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেয়া হয়েছে।




