ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাইবান্ধা-২ আসনের ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আনিসুজ্জামান খান বাবু। তিনি অভিযোগ করেছেন, অন্তত ৩০টি ভোটকেন্দ্রে অগ্রিম স্বাক্ষর নেওয়া ও ভোটে নানা অনিয়মের মাধ্যমে ফলাফল প্রভাবিত করা হয়েছে।
শনিবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোশাররফ হোসেন বাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি শহীদুজ্জামান শহীদসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে আনিসুজ্জামান খান বাবু বলেন, “ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই আমার ধানের শীষ প্রতীকের পোলিং এজেন্টদের কাছ থেকে প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর নিয়েছেন। বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নির্বাচন বিধির পরিপন্থী।” তিনি দাবি করেন, ভোটের দিন বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শনের সময় তিনি এ ধরনের একাধিক অনিয়মের তথ্য পান। এমনকি কয়েকটি কেন্দ্রে অগ্রিম ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনাও তাঁর নজরে আসে।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, দুপুর দুইটার পর থেকে কিছু নিরাপত্তা সদস্য তাঁর সমর্থক ভোটার ও পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে মারমুখী আচরণ করেন এবং অনেককে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, “পরিকল্পিত ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে আমাকে পরাজিত করা হয়েছে।”
বিএনপির এই প্রার্থী সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রগুলোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ প্রকাশ করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান। পাশাপাশি ঘোষিত ফলাফল বাতিল করে গাইবান্ধা-২ আসনের সব কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।




