গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার সালোয়াটেকি এলাকায় নিজস্ব জমির গাছের কাঠ পরিবহনকে কেন্দ্র করে চাঁদা দাবি, হামলা, নারী নির্যাতন ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আহত আব্দুল হেকিম (৭৬) কাপাসিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
এলাকবাসী ও থানায় দায়ের করা অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সালোয়াটেকি গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল হেকিম তার নিজস্ব জমির ঝড়ে হেলে পড়া কয়েকটি গাছ বিক্রি ও ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কাটেন। পরে কাঠ পরিবহনের জন্য ৫টার দিকে গাড়ি ঘটনাস্থলে এলে একই গ্রামের আমির হোসেন ওরফে আলী হোসেন (৪৫) পিতা-মৃত ছফুর উদ্দিন এবং ২। রইছ উদ্দিন (বয়স ৫০) পিতা-মৃত আমছর আলী কাঠ বোঝাই গাড়ির গতিরোধ করেন।
ভুক্তভোগীর দাবি, এ সময় তারা ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং টাকা না দিলে কাঠ পরিবহন করতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দেন। খবর পেয়ে আব্দুল হেকিম ঘটনাস্থলে গেলে তার কাছেও একই টাকা দাবি করা হয়। তিনি অর্থ দিতে অস্বীকৃতি জানালে দেশীয় অস্ত্র, কোদাল, শাবল ও লাঠিসোটা নিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়।হামলায় আব্দুল হেকিম গুরুতর আহত হন। তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলে তার ছেলে আবু বকর সিদ্দিক (৩৭), স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন (৬৫) এবং মেয়ে মহসিনা আক্তার (৪২)ও আহত হন। ঘটনায় নারী সদস্যদের মারধর ও শ্লীলতাহানিরও অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া মহসিনা আক্তারকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয় এবং মেরে একশত টুকরা হুমকি দেওয়া হয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে আব্দুল হেকিম ও মহসিনা আক্তার চিকিৎসাধীন। অপর আহত দুইজন গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন।এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী আব্দুল হেকিম। ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, হামলার ঘটনার পরও অভিযুক্তরা বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে আসছেন। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে টোক নয়ন বাজার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মিনহাজ উদ্দিন বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




