বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়। চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিনির্ভর রাজনীতি আর এই দেশে চলবে না—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় শরীয়তপুর পৌরসভা মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যজোট আয়োজিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মাওলানা মামুনুল হক বলেন, “আমার বাংলাদেশ থেকে আর কোনো সম্পদ লুটপাট করতে দেওয়া হবে না। চুরি-বাটপাড়ির রাজনীতি এই দেশ থেকে বিদায় নেবে। আগামীতে দুর্নীতিবাজরা আর রাজনীতি করতে পারবে না।”
তিনি আরও বলেন, “স্বাধীন বাংলার মানুষের ন্যায় ও ইনসাফের স্বপ্ন আজও পূরণ হয়নি। গত ৫৪ বছর ধরে শাসনের নামে এ দেশের মানুষের ওপর শোষণ চালানো হয়েছে। এখন সময় এসেছে এই শোষণের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর।”
১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী বার্তা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এবারের নির্বাচনে আমরা বাংলাদেশের মানুষকে একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে এসেছি। দেশের মুক্তিকামী মানুষ জাগ্রত হয়েছে। তাই আগামী দিনে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিশুদ্ধতা আসবে। দুর্নীতি, সন্ত্রাস, পেশীশক্তি ও কালোটাকার রাজনীতি আর চলবে না।”
এ সময় তিনি জুলাই বিপ্লব বাস্তবায়ন, শহিদদের রক্তের প্রতি শ্রদ্ধা এবং সংগ্রামী যোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ বাক্সে সিল দেওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।
জনসভায় সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামী শরীয়তপুর জেলা শাখার আমির আব্দুর রব হাসেমী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শরীয়তপুর–১ আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের মনোনীত প্রার্থী মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ।
এ ছাড়া এনসিপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় ঐক্যজোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জনসভায় উপস্থিত ছিলেন।
১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী কর্মসূচির অংশ হিসেবে সোমবার শরীয়তপুর সফর করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। এ সময় তিনি শরীয়তপুর–১ (পালং–জাজিরা) আসনে ঐক্যজোটের রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদের পক্ষে ভোট চান।




