জয়পুরহাট কালাই এ নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে ২দিন ব্যপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত। জয়পুরহাট-২ আসনের কালাই উপজেলায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং এবং পোলিং অফিসারদের জন্য ২দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার ও শনিবার (৩০-৩১ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় কালাই উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালার আয়োজন করে উপজেলা নির্বাচন প্রশাসন। ২দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণে কালাই উপজেলার মোট ৪৫ জন প্রিজাইডিং অফিসার এবং ২৬৩ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও ৩০৮ জন পোলিং অফিসার অংশগ্রহণ করেন। প্রশিক্ষণে ভোটগ্রহণের দিন দায়িত্ব পালনের কৌশল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ, ব্যালট ব্যবস্থাপনা,ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন ও বিধি-বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়। অংশগ্রহণকারীদের নির্বাচনকালীন যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মো. আল মামুন মিয়া। তিনি বলেন,নির্বাচনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে। নির্বাচন যেন অবাধ,সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয়,সে বিষয়ে কোনো ধরনের শিথিলতা বরদাশত করা হবে না। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা পুলিশ সুপার মিনা মাহমুদা। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্র ও ভোটগ্রহণে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবে। নির্বাচনকালীন সময়ে ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সার্বিক যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও জোরদার করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও কালাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শামীম আরা,সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেকার রহমান,উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. ফেরদৌস হোসেন এবং কালাই থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারাও এ সময় উপস্থিত ছিলেন।প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা জানান, এ ধরনের প্রশিক্ষণ নির্বাচন পরিচালনায় আত্মবিশ্বাস বাড়ায় এবং দায়িত্ব পালনে আরও দক্ষ করে তোলে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।




