ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামে পূর্ব শত্রুতা ও এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৬০ জন আহত হয়েছেন।
আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল বেলা বিষ্ণুপুর গ্রামে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়।
ঘটনার বিবরণ
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান ইউপি সদস্য (মেম্বার) কফিল উদ্দিন এবং সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে আজ সকালে দুই পক্ষের লোকজন লাঠিসোঁটা, ইটপাটকেলসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একে অপরের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দফায় দফায় চলা এই সংঘর্ষে পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয় এবং উভয় পক্ষের প্রায় ৬০ জন আহত হন।
চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা
সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদেরকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর বা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার (স্থানান্তর) করা হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সর্বশেষ:
ঘটনার পর পরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিষ্ণুপুর গ্রামে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা ও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
প্রশাসনের বক্তব্য
শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলা আধিপত্য বিস্তারের বিরোধের জের ধরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান আছে।




