ঝিনাইদহ জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার বারোবাজার ইউনিয়নের বাদুরগাছা আব্দুল জব্বার স্কুলের পিছনে রক্ত মাখা বস্তাবন্দি বাচ্চার মরদেহ উদ্ধার।
মানুষের মুখোশের অন্তরালে কত নিকৃষ্ট ঘৃণ্য মনমানসিকতা তা বর্তমান সমাজের অধিকাংশ লোকজনের আচার ব্যবহার দেখলেই বোঝা যায়। সমাজের অধিকাংশ লোক কিভাবে অন্যজন কে ক্ষতি করা যায় এটাই তাদের মুখ্যবিষয়,তাদের কোন যোগ্যতা না থাকার পরও মানি লোকের মানহীন করে জোর করে সমাজের কর্তা ব্যক্তি সাজে এবং সমাজের ভিতর হিংসা, মারামারির জন্ম দেয় এবং সমাজের কিছু সুবিধাবাদী লোক সেই দুষ্কৃতকারী লোকের সহযোগীতা করে তারই ফলাফল সমাজের এমন নিকৃষ্ট হত্যাকান্ড ও অনেক হিংসাত্মক ঘটনা অহরহ ঘটছে, এমন ঘটনা বাংলাদেশের প্রতিটা এলাকায়ই প্রায়ই ঘটে তাহলে বোঝেন আমরা কোন সমাজে বসবাস করছি, একটা মাছুম বাচ্চাটা পর্যন্ত এই ঘৃণ্য সমাজ থেকে বাচতে পারলোন, আমরা ভিন্ন দল মতের লোক হলেই ঘরবাড়ি ভাংচুর পোড়ানোর মতো কাজ করছি বা উৎসাহ দিচ্ছি! বর্তমান প্রজন্মই মনে হচ্ছে আইয়্যামে জাহেলিয়াতের থেকে কোন অংশ কম নয় বা অনেকাংশে বেশি, এই কলুষিত সমাজ থেকে আমাদের সকলের বের হয়ে আসতে হবে। অন্যথায় এভাবেই আমাদের মূল্য দিতে হবে।
এই মাসুম বাচ্চাটি গতকাল বারোবাজার বাদেডিহী গ্রামে নিজ বাসার পাশে খেলতে খেলত হারিয়ে যায়, আজ সকালে বস্তাবন্দি বাচ্চাটার লাশ পাওয়া গেলো। বাচ্চার হত্যার যথোপযুক্ত বিচার চাই।




