তিতাসের খলিলাবাদ প্রবাসীর ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠেছে

কুমিল্লা জেলা তিতাস উপজেলার খলিলাবাদ গ্রামে প্রবাসীর ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ ওঠেছে।  সরজমিনে গিয়ে জানা যায় খলিলাবাদ গ্রামে খোয়াজ বাড়ীর বাসিন্দা মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র প্রবাসী সোলেমান তার ঘরে পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর অভিযোগ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি তিতাস থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি দুই হাজার ছাব্বিশ তারিখ সন্ধ্যায় আনুমানিক সাড়ে ছয়টার দিকে একদল দূর্বৃত্ত সোলেমানের ঘরে কেরোসিন ঢেলে আগুন দেয়। এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন।
মাগরিবের সময় হওয়ায় কারো চোখে পড়েনি। যার যার কাজে সে সে ব্যস্ত।  পরে আগুনের লেলিহান শিখা দাবানলের মতো জ্বলতে থাকে। সন্ধা হলে সোলেমানের মেয়ে সুমাইয়া গোয়াল ঘরের দরজা লাগাতে গিয়ে দেখে ঘরের উত্তর সাইড দিয়ে আগুন জ্বলছে। মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আগুন। আর দাউদাউ করে জ্বলেতে থাকে ঘর, ঘরের আসবাবপত্র ও মূল্যবান জিনিসপত্র।
এবিষয়ে সোলেমান বলেন, আমি ক্ষেতে কাজ করছিলাম,মেয়ের ডাক চিৎকারে এসে দেখি আগুন জ্বলছে। জীবনের রিস্ক নিয়ে একটি গরুর জীবন কোন রকমে বাঁচাতে পারলেও আড়াই লক্ষ টাকার গরু ষাট হাজার টাকায় বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছি।
অপর একটি গরু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে যাহার চিত্র দেখেন। যার মূল্য প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা হবে। একটি চৌচালা ও একটি দোচালা ঘর এবং ঘরের সব কিছু পুড়ে ভস্ম হয়ে গেছে। আমার প্রায় দশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
আর সম্পূর্ণ বিষয়টির সাথে জড়িত আমার বড় ভাই অহিদের স্ত্রী লতিফা বেগম। কারণ সে পূর্বে আমার ঘর পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলো। তার সাথে আমার জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।সে আমার বিরুদ্ধে পাঁচটি মামলা দিয়েছে। লতিফা তার স্বামীর প্ররোচনায় তার মেয়েদের সাথে নিয়ে এমন ঘৃন্য কাজটি করেছে। আমি তার শাস্তি দাবি করছি।
বিষয়টি অস্বীকার করে প্রবাসি অহিদ মিয়ার স্ত্রী লতিফা বেগম বলেন, মিথ্যা কথা। আমি আগুন দেই নি। সে দিন আমি বাড়িতেই ছিলাম না।
আমি ডাক্তারের কাছে গিয়েছিলাম, আসার পথে শুনি সোলেমানের ঘরে আগুন লেগেছে।
এবিষয়ে তিতাস থানার ওসি (তদন্ত) মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, ঘটনাস্থল পুলিশ পরিদর্শন করেছে।  অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন