তিতাসের তুলাকান্দি গ্রামে খেলাকে কেন্দ্র করে সামিউল আলম কে কুপিয়ে জখম ও থানায় মামলা

২৭ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার আনুমানিক তিনটার দিকে কুমিল্লা জেলা তিতাস উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের তুলাকান্দি গ্রামে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সরো জমিনে গিয়ে জানা যায়,সামিউল আলমের মা লিলি বেগম জানান,আমার ছেলেকে তুলাকান্দি গ্রামের পশ্চিমপাড়ার দেলোয়ারের ছেলে আবুবকর ও রিয়াজুল মাঠ থেকে দৌড়ে আমার বাড়িতে এসে হত্যার চেষ্টায় কুপিয়ে জখম করে। তাছাড়াও দেলোয়ার হোসেনসহ আরো অনেকেই মিলে হাতে ছুরি,দা ও লাঠিসোটা নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটায়। আমরা এগিয়ে আসলে সামিউল আলমসহ আমাদের কয়েকজনকেও মেরে আহত করে।
আমার ছেলে সামিউল আলম ঢাকা হসপিটালে আশংকাজনক  অবস্থায় পাঞ্জা লড়ছে।
মাঠে খেলা নিয়ে মারামারির ভিডিও ফ্রুটেজে অতর্কিত হামলার দৃশ্যও দেখা যায়। মুলত মারামারি হয় তুলাকান্দি মধ্যপারা ও পশ্চিমপাড়ার মধ্যে এই ঘটনার সৃষ্টি হয়।তিতাসের নারান্দিয়া ইউনিয়নের তুলাকান্দি গ্রামে শুক্রবার ফুটবল খেলতে সাবেক মেম্বার দেলোয়ার হোসেন দুলাল ও নারান্দিয়া ইউনিয়নের বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফসহ আরো অনেকের উপস্থিতিতে খেলার মাঠে এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।
তারা বলেছে কোন ঝামেলার প্রয়োজন নাই আমরা বসে সমাধান করে দিবো।তাদের কথা না শুনে অতর্কিত ভাবে আবুবকর ও তাহার লোকজন নিয়ে সামিউল আলমের উপর হামলা করে দা দিয়ে কুপিয়ে যখম করে।তথ্যসুত্রে জানা যায়,মাঠের উত্তর পশ্চিম পাশের ভুট্টা জমিতে পরিকল্পনা করে অস্ত্রশস্ত্র আগেই রেখে দেয় আবুবকরের দল।
এই মারামারি ঘটনা কেন্দ্র করে সামিউল আলমের মা লিলি বেগম বাদী হয়ে ১৩ জন কে আসামী করে ২৭ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার  তিতাস থানায় একটি অভিযোগ দ্বায়ের করেন।অভিযোগ সুত্রে জানা যায়,দেলোয়ার হোসেনের ছেলে আবুবকরের হাতে থাকা দা দিয়ে কুপিয়ে জখম করে ও তার ভাই রিয়াজুলসহ এলোপাতাড়ি  লাথি ঘুষি, লাঠি দিয়ে আরো কয়েকজনকে আহত করে।
অপর দিকে বিবাদী গণের আবুবকরের মা জানান,এখানে খেলার টাকা ভাগ নিয়ে এই মারামারির ঘটনা ঘটেছে। তিতাস থানা পুলিশ সরোজমিনে এসে জানিয়েছেন তদন্দ সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্তা নেওয়া হবে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন