দেওয়ানগঞ্জ সরকারি খাদ্যগুদামের বস্তায় ওজনে কম চাল

দেওয়ানগঞ্জ সরকারি খাদ্য গুদামের ৩০ কেজির চালের প্রতিটি বস্তায় ওজনে চাল মিলছে দুই কেজি কম। ওজনে কম নিয়ে চেয়ারম্যান মেম্বারদের সঙ্গে উপকার ভোগিদের প্রায়ই চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। কোন কোন উপকারভোগিকে চেয়ারম্যান বাজার থেকে চাল কিনে দিয়ে তাদেরকে ঘাটতি পুরণ করে দিতে বাধ্য হন। জানা গেছে, ঈদ উপলক্ষে অতি দরিদ্র মানুষের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ প্রতিটি ইউনিয়নে । প্রতিটি পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাবে ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে।  চর আমখাওয়া  ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলামসহ কয়েকজন চেয়ারম্যান জানান, ৫০ কেজির চালের বস্তায় শুষ্ক জনিত কারণে ২০০/৩০০ গ্রাম ওজন কমে যাওয়া মেনে নেওয়া যায়। প্রতি বস্তায় দুই থেকে সাড়ে তিন কেজি চাল কমে যাওয়া রহস্যজনক। অনেক সময় উপকার ভোগী থাকতেই চাল শেষ হয়ে যায়। তখন বদনাম হয় আমাদের। খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফয়সাল আহমেদ বলেন, ৩০ কেজির চালের বস্তায় ওজনে এত কম থাকার কথা নয়। তবে ময়মনসিংহ সাইরো থেকে যে চাল আসে সেখানে কম থাকতে পারে।  বিষয়টি তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন