আজ ২৪শে মে রোজ রবিবার বেলা ১২ঘটিকার সময় পাবনা প্রেসক্লাবের হল রুমে,এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী ফিরোজ চৌধুরী। তিনি বলেন পাবনা জেলার, সুজানগর উপজেলা চর গোবিন্দপুর বাজারে, আমার নিজস্ব পৈত্রিক সম্পত্তির উপর, একটি মসজিদের জমি দিয়েছিল আমার পিতা, চরগোবিন্দপুর মৌজার ১৫১ খতিয়ানের, ১৭ নম্বর দাগের এস এ রেকর্ডভুক্ত জমি আমার বাবার নামে এবং আরএস রেকর্ড ভুলবশত সরকারের এক নাম্বার খতিয়ানভুক্ত হয়। যার বিরুদ্ধে আমি পাবনা যুগ্নু জেলা জজ দ্বিতীয় আদালত পি এস ১৬২ /২০০৭ নাম্বার মোকদ্দমা দায়ের করি, এবং আমি ডিগ্রি প্রাপ্ত হই। এবং পরবর্তীতে আদালতে২/২২ নম্বর একটি উচ্ছেদ মামলা করি, এটাতেও আমি ডিগ্রি প্রাপ্ত হইয়া ম্যাজিস্ট্রেট এবং পুলিশ প্রশাসনের মাধ্যমে আমার জমির উপর অবৈধ বসবাসকারীদের উচ্ছেদ করা হয়। পরবর্তীতে ১৫/ ২ /২০২৬ তারিখে আমার জায়গায় দুই তলা বিশিষ্ট বিল্ডিং এর কাজ শুরু করি, কাজ শুরু করার পর থেকেই শরিফ মনির বিদ্যুৎ, তার লোকজন দ্বারা আমার কাছে বিভিন্ন সময় মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে আসছিল। আমি চাঁদা দেওয়াই অস্বীকৃতি জানালে, গত ০৬/০৫/২০২৬ ইংরেজি তারিখ আমার নির্মিত প্রতিষ্ঠান দেখতে গেলে, অতর্কিতভাবে বিদ্যুতের পেটুয়া বাহিনী দিয়ে আমাকে মসজিদ ঘরের মধ্যে আটকে ফেলে, এবং নন জুডিশিয়ালি ১০০ টাকার তিনটি সাদা স্ট্যাম্প আমার স্বাক্ষর নিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয়। আমি তার বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছি। এই মামলা থেকে অব্যাহতি পাওয়ার জন্য, আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ এনে,সংবাদ সম্মেলন এবং মানববন্ধন করেছে। আমি এই মানববন্ধনের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আপনাদের মাধ্যমে আসল সত্যটুকু দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানাচ্ছি।




