দুদক জানায়, সোনাগাজী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের অধীনে পাঁচটি প্রকল্পের কাজ সাব-কন্ট্রাক্ট হিসেবে সম্পন্ন করেন। কাজ শেষে বিল দাখিল করলে পিআইও আল-সাঈদ বিল ছাড় করার বিনিময়ে তার কাছে ১২ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেন। নিরুপায় হয়ে অভিযোগকারী ঘুষ দিতে সম্মত হন এবং বিষয়টি গোপনে দুদক নোয়াখালী জেলা কার্যালয়কে অবহিত করেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে কমিশন একটি ‘ট্র্যাপ টিম’ বা ফাঁদ মামলা পরিচালনার অনুমোদন দেওয়ার পর আজ বিকেলে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী ঘুষের প্রথম কিস্তির ১ লাখ টাকা গ্রহণ করার সময় বিশেষ টিম আল-সাঈদ ও আবু নাসেরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। এসময় তাদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক করা দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের সংশ্লিষ্ট আদালতে সোপর্দ করে জেলহাজতে পাঠানোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়েছে দুদক।