পর্যটন নগরী কক্সবাজারের নবগঠিত উপজেলা ঈদগাঁওতে খাল খননের অংশ হিসেবে খাল পরিদর্শনে গিয়েছেন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও জলাবদ্ধতা নিরসনে দেশব্যাপী জনগুরুত্বপূর্ণ খাল খনন ও পুনঃখনন এবং খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এ লক্ষে খাল খনন, পুনঃখনন কর্মসূচি” বাস্তবায়নে প্রেরিত তথ্য অনুযায়ী ঈদগাঁও—চকরিয়ায় ভরাটখাল সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
বর্ণিত উপজেলার ঈদগাঁও এবং পোকখালী ইউনিয়নের দুইটি জনগুরুত্বপূর্ণ পুনঃখননযোগ্য খালের তথ্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে গতকাল (৪ মার্চ) বুধবার সকালে ঈদগাঁও উপজেলার ঐতিহ্যবাহি বৃহত্তর তিন মাইজপাড়া এলাকার ভরাটখালটি পরিদর্শন করতে যায় দলটি।
পরিদর্শনকালে কক্সবাজার জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আজাদের রহমান বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বর্ষা মৌসুমে মাইজপাড়া ভরাটখালসহ উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের আরো একটি খাল পুনঃখনন করা হবে।
বুধবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের সাথে বৈঠক হলে উপজেলা থেকে পাঠানো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে খনন ও পুনঃখননযোগ্য খালের খোঁজ নেন বলেও জানান তিনি।
এর পরিপ্রেক্ষিত প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্ব বিবেচনায় পরিদর্শনে গিয়ে খাল পুনঃখননের সম্ভাব্য সঠিকতা যাচাই করা হয়।
এসময় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের, ঈদগাঁও উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক আবদুস সালাম, স্থানীয় বিএনপির সভাপতি সাংবাদিক এম শফিউল আলম আজাদ, জনপ্রতিনিধি ১ ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সংরক্ষিত মহিলা মেম্বার নুর নাহার, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আজিজুল হক রুবেল, ওয়ার্ড বিএনপির সহ সভাপতি এহসানুল হক, সমাজ সেবক ইউসুফ আলী ড্রাইভার, বিএনপি নেতা সিরাজুল হক, বিএনপি নেতা আবদু সালাম কৃষক, আবদুল হক সওঃ ওয়ার্ড বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, জাহেদুল আবছার, আমানুল উল্লাহ বৈদ্য, ভেদু মিয়া, নুরুল আজিম, সাহেদ, সেলিমসহ সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য ঈদগাঁও ঐতিহ্যবাহী ভরা খালটি দখলে দুষণে এখন অস্তিত্ব সংকটে। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি এই খালটি পুনঃ খননের। হয়ত এইবার খাল খননের মাধ্যমে তাদের দীর্ঘদিনের দাবি পুরণ হবে এমনটি আশা ভুক্তভোগীদের।




