প্রকৃত দখল অস্বীকার ও তথ্য গোপনের অভিযোগ ২য় পক্ষের।
ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার একটি জমি নিয়ে সিআরপিসি ১৪৫ ধারায় জারি করা নোটিশকে একতরফা, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর বলে অভিযোগ তুলেছেন মামলার ২য় পক্ষের সংশ্লিষ্টরা। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিনের প্রকৃত দখল ও ভোগদখলের বাস্তব চিত্র গোপন রেখে প্রতিপক্ষ প্রশাসনের কাছে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করেছে।
২য় পক্ষ জানায়, নোটিশে যে জমিকে কেন্দ্র করে শান্তি-শৃঙ্খলা বিঘ্নের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেই জমি তারা বহু বছর ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ করে আসছেন। জমিটিতে নিয়মিত চাষাবাদ, রোপণ ও পরিচর্যার কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং স্থানীয়ভাবে তাদের দখল সর্বজনবিদিত। অথচ হঠাৎ করেই ১ম পক্ষ জমিটি নিজেদের দাবি করে প্রশাসনের কাছে আবেদন করে, যা পূর্বপরিকল্পিতভাবে দখলবদলের অপচেষ্টা বলে মনে করছেন তারা।
২য় পক্ষের একজন প্রতিনিধি বলেন,
“আমরা কখনোই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে চাই না। বরং প্রতিপক্ষ প্রশাসনিক প্রভাব খাটিয়ে আমাদের বৈধ দখল প্রশ্নবিদ্ধ করার চেষ্টা করছে। প্রকৃত ঘটনা মাঠপর্যায়ে তদন্ত করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে।”
তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, নোটিশ জারির আগে সংশ্লিষ্ট জমিতে প্রকৃত দখল যাচাই, স্থানীয়দের বক্তব্য গ্রহণ কিংবা সরেজমিন পরিদর্শন যথাযথভাবে হয়নি। ফলে প্রকৃত দখলদারদের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় একাধিক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, দীর্ঘদিন ধরেই উক্ত জমিতে ২য় পক্ষের লোকজনের নিয়মিত যাতায়াত ও কৃষিকাজ তারা দেখে আসছেন। হঠাৎ করে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
২য় পক্ষ প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিষয়টি যাতে নিরপেক্ষ তদন্ত, কাগজপত্র যাচাই এবং সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা হয়। তারা আদালতের নির্দেশনা মেনে আইনগত প্রক্রিয়ায় ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন এবং শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।