সিলেট-৪ আসনের সাংসদ নির্বাচনি ভোটের মাঠের সমাচার

সিলেট -৪আসনের জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ তথা ১০দলীয় জোট সমর্থীত দাঁড়ী পাল্লা প্রতিকের প্রার্থী সিলেট জেলা জামায়াতের সাধারন সম্পাদক আলহাজ্ব জয়নাল আবেদিন নির্বাচনি বিভিন্ন পথসভায় গুলোতে বক্তব্যে বলেন,কোম্পানি গঞ্জ,জৈন্তাপুর, গোয়াইন ঘাঁটের মাটিও মানুষের সাথে আমার জন্মসুত্রে বাঁধা বন্ধন,অত এব এই প্রান্তিক জনপদের রাস্তা ঘাঁট,কর্মসংস্থান, চিকিৎসা, শিক্ষা সহ নানাবিধ উন্নয়নে সর্বাত্মক ভুমিকা রাখতে পারে এলাকার সন্তান। তাই আমার দাবী ভারাটিয়া দেখেছি বার বার এলাকার সন্তান কে দেখবো এইবার, এই স্লোগানে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন জামায়াত মনোনীত দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী। অন্যদিকে বিএনপি ও জমিয়ত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, আগামীতে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে কোম্পানি গঞ্জের সাধারন মানুষের প্রাণের দাবী পাথর কোয়ারিগুলো সনাতন পদ্ধতিতে খুলে দেওয়া হবে।এতে এলাকার হাজারো শ্রমজীবী মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে। কোম্পানিগঞ্জ, জৈন্তাপুর,গোয়াইঘাঁট উপজেলা সহ প্রত্যেক ইউনিয়নের পাড়া মহল্লা গ্রাম হাটবাজারে অতিথি বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।আরিফুল হক চৌধুরী তার বক্তব্যে সিলেট -৪ আসনে উন্নয়ন বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি দেন।তিনি বলেন ধানের শীষ এই আসন থেকে ধানের শীষ নির্বাচিত হলে এই এলাকায় একটি আধুনিক নার্সিং কলেজ স্থাপন করা হবে এবং রাস্তার যানজট দুরীকরনে পরিবহন শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনে দূর্ভোগ লাগবে একটি আধুনিক ট্রাক টার্মিনাল ও ধলাই নদীর তীরবর্তী রাস্তা ঘাঁট গ্রাম ও কৃষি জমি রক্ষায় বেরীবাঁধ তৈরি করা হবে।
সুতরাং ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহবান জানান। আরিফুল হক আরো বলেন বিএনপি সবসময় সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের রাজনীতি করে।সর্বশেষে বলেন আমরা কোম্পানি গঞ্জ,জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাটকে একটা সম্প্রীতির এলাকায় হিসাবে রাখতে চাই,হিন্দু, মুসলিম, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ সবাই সুন্দর পরিবেশে থাকতে চাই। হানাহানি মারামারি,প্রতিহিংসা সবাই পরিহার করতে হবে।একই ভাবে যারা সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী,দখলদারী,সিন্ডিকেট বানিয়ে জনজীবন বিপন্ন করবে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান। ভাড়াটিয়া স্লোগানের বেইল নাই ধানের শীষে ভোট চেয়ে, উন্নয়ন ও গনতন্ত্রের স্বার্থে সাধারন মানুষ ধানের শীষর প্রতীকে ভোট দিতে উম্মুখ হয়ে আছে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভাড়াটিয়া আর নয়,এবং ইসলামকে রাজনৈতিক মাঠে এনে হেও করার কারনে আলহাজ্ব জয়নাল আবেদিনর নির্বাচনী প্রচারণাকে দুর্বল করে । অন্যদিকে আরিফুল হক চৌধুরী এই অসন্তোষকে কাজে লাগিয়ে ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী হয়ে, নিজের অবস্থান শক্ত করছেন, যা সিলেট–৪ আসনের নির্বাচনী সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করছে।নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে এই ভেতরগত বিভাজন ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটিই এখন এলাকার ভোটারদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন