কুমিল্লার হোমনায় প্রবাসীর বাড়িতে ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় মামলা দায়ের

কুমিল্লার হোমনা উপজেলার ঘারমোড়া ইউনিয়নের মনিপুর গ্রামে প্রবাসীর বাড়িতে স্ত্রী, শিশু সন্তান ও ভাতিজাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
গতকাল বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে সৌদি প্রবাসী জহিরুল ইসলাম বাদী হয়ে হোমনা থানায় হত্যা মামলা করেন। তবে হত্যাকাণ্ডের তিন দিনেও জড়িতদের শনাক্ত করতে পারেনি পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সোমবার রাতে দুর্বৃত্তরা জহিরুল ইসলামের বসতবাড়িতে ঢুকে তার স্ত্রী সুখিয়া বেগম (৩৫), চার বছর বয়সী ছেলে মো. হুসাইন ও পাঁচ বছর বয়সী ভাতিজা মো. জুবাইদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে। পরে আলাদা কক্ষে মরদেহ রেখে যায়। ঘরের স্টিলের আলমারি ভাঙা ও মালামাল এলোমেলো অবস্থায় পাওয়া যায়। নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও মুঠোফোন খোয়া গেছে বলে অভিযোগ পরিবারের। ঘটনার সময় জহিরুল ইসলাম সৌদি আরবে ছিলেন। বড় মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে এবং ছোট মেয়ে মাদরাসার আবাসিক হোস্টেলে থাকায় তারা প্রাণে রক্ষা পায়।
মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় দেশে ফিরে স্ত্রীর-সন্তানের লাশ দেখে ভেঙে পড়েন জহিরুল। পরে গ্রামের ঈদগাহ মাঠে জানাজা শেষে সামাজিক কবরস্থানের পাশাপাশি দাফন করা হয় তিনজনকে।
এ বিষয়ে নিহত সুখিয়ার ভাই ছাইদুল ইসলাম বলেন, সকালে খবর পেয়ে এসে দেখেন ঘরের আলমারির ড্রয়ার খোলা, জিনিসপত্র এলোমেলো। তার সন্দেহ, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গেট ভেঙে ডাকাতি হলে আশপাশের মানুষ টের পেত, বলেন তিনি।
এ বিষয়ে হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত জানানো যাচ্ছে না।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন