ভোলা ০২ আসনে জামাতের নেতা কর্মীরা অতর্কিভাবে হাফিজ ইব্রাহিমের নেতা কর্মী সমর্থকদের উপর হামলা( ১১ ফেব্রুয়ারি) বুধবার আনুমানিক রাত ৭ টার সময়। জামাতের এমপি প্রার্থী ফজলুল করিমের নেতা কর্মীরা বোরহানউদ্দিন উপজেলায় পক্ষিয়া ইউনিয়নের ৩ নংওয়ার্ড উদয় পুর গ্রামে। রাবেয়া বলেন, আব্দুল মুন্সি বাড়িতে হঠাৎ বাড়ির উঠানে আমাদের নিজ বসত বাড়িতে আমাদের বাসা থেকে ডেকে বের করে জামাত ইসলামী ও শিবিরের সন্ত্রাস বাহিনী সাহিন, সাহাদাত, হাচান রিয়াজ মোস্তফা বুলবুল সহ কয়েকজন সন্ত্রাস বাহিনী। বিএনপি’র সমর্থিত ভোটার ও কর্মী মোঃ ফরিদ মোঃ কিবরিয়া রুজিনা,রাবেয়া জেসমিন কে হকস্টিক ও বগি দা দিয়ে এলোপাথারি আঘাত করতে থাকে। এতে পাঁচজন গুরুতর আহত হয়, তার মধ্যে তিনজন মহিলা। ফরিদ বলেন, হঠাৎ পুরান বাড়িতে ডাক চিৎকার সোনা মাত্রই আমি সামনে এগিয়ে যাই হঠাৎ কোনো কথা না বলে সাহিন, এবং সাহাদাত আমার শরীরে হকিস্টিক দিয়ে আঘাত করে মুহূর্তের মধ্যে আমি জ্ঞান হারায়। রাবেয়া বলেন, নির্বাচনের আগ থেকে জামাতের সন্ত্রাস বাহিনীরা আমাদেরকে চাপ সৃষ্টি করে জামাতে ভোট দেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে আমাদেরকে হয়রানি করে জামাতে ভোট না দিলে মেরে ফেলারও হুমকি দেয়, আমাদের পূর্বপুরুষ বিএনপি করে আমার বাবা এবং আমার শশুর স্বামী আমি নিজে সবাই বিএনপি করি,আমরা বিএনপিকে ভোট দিব। একপর্যায়ে নির্বাচনের আগের দিন সন্ধ্যা সাতটার পরে বুলবুল, মোস্তফা, সাইমা, আমাকে অতর্কিতভাবে হামলা করে এবং আমার মাথায় আঘাত করে আমি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে যায়। ঘটনার মুহূর্তে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এসে জামাতকর্মীর কাছ থেকে হকিস্টিক উদ্ধার করে। এরপর এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ আমাদেরকে বোরহানউদ্দিন হাসপাতালে ভর্তি করেন। মাননীয় হাফিজ ইব্রাহিম এমপির কাছে আমরা এর বিচার চাই। এবং এই সন্ত্রাস বাহিনীকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক।এবং এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।




