ভোলার বক্ষব্যাধি ক্লিনিক ও হাসপাতালের কর্মরত হোম ভিজিটর জান্নাতুল মাওয়ার বিরুদ্ধে সরকারি ঔষুধ ব্যক্তিগতভাবে নেওয়া এবং আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিতরণের অভিযোগ উঠেছে। এ সংক্রান্ত কয়েকটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওগুলোতে দেখা যায়, জান্নাতুল মাওয়া ক্লিনিকের ঔষধের আলমারি থেকে ঔষধ বের করে নিজের ব্যক্তিগত ব্যাগে রাখছেন। অভিযোগ রয়েছে, পরবর্তীতে তিনি এসব ঔষধ তার আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে বিতরণ করেছেন।
ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এ ঘটনায় সরকারি ঔষধের যথাযথ ব্যবহার ও রোগীদের প্রাপ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ঘটনার সত্যতা যাচাইয়ে আজকের খবর টিম সরেজমিনে বক্ষব্যাধি ক্লিনিক ও হাসপাতালে গিয়ে সেবা নিতে আসা রোগীদের সঙ্গে কথা বলে। এ সময় বেশ কয়েকজন রোগী অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় ঔষধ তারা নিয়মিত পাচ্ছেন না। তাদের প্রশ্ন, সরকার থেকে সরবরাহ করা ঔষধ যদি রোগীদের কাছে না পৌঁছায়, তাহলে সেগুলো কোথায় যাচ্ছে?
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হোম ভিজিটর জান্নাতুল মাওয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি নিজেই অসুস্থ ছিলাম। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিজের জন্য ঔষধ নিয়েছি।” তবে আত্মীয়-স্বজনদের ঔষধ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করেননি।
এ বিষয়ে ভোলা বক্ষব্যাধি ক্লিনিক ও হাসপাতালের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ডা. অমিত চ্যাটার্জি বলেন, “জান্নাতুল মাওয়ার ঔষধ নেওয়ার ভিডিওটি আমরা দেখেছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।



