মঙ্গলবার,২৮শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনে পার্বতীপুরে ৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং শুরু

বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে ৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়েছে। চলতি জুলাই মাসে এই প্রথমবারের মতো পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ করা হলো।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ১২টায় পার্বতীপুর রেলহেড অয়েল ডিপোতে আনুষ্ঠানিকভাবে পাম্পিং কার্যক্রম শুরু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পদ্মা অয়েল কোম্পানি পিএলসির উপ-ব্যবস্থাপক আহসান হাবীব চৌধুরী।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্রে জানা গেছে, পাইপলাইনের মাধ্যমে আমদানি করা ৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল প্রথমে পার্বতীপুর অয়েল ডিপোতে সংরক্ষণ করা হবে। পরে সেখান থেকে পদ্মা অয়েল কোম্পানি, মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড এবং যমুনা অয়েল কোম্পানির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহ করা হবে।
বিপিসির তথ্যমতে, চলতি জুলাই মাসে পদ্মা অয়েল, যমুনা অয়েল ও মেঘনা পেট্রোলিয়াম কোম্পানি যৌথভাবে মোট ২৯ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল সরবরাহ করেছে। বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন চুক্তির আওতায় চলতি বছরে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে মোট ৭৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল দেশে এসেছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা আরও দ্রুত, নিরাপদ ও ব্যয়-সাশ্রয়ী হয়েছে। ফলে পরিবহন ব্যয় কমার পাশাপাশি নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এতে উত্তরাঞ্চলের শিল্প, কৃষি ও পরিবহন খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতের শিলিগুড়ি থেকে সরাসরি পার্বতীপুরে ডিজেল আমদানি করা হচ্ছে, যা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন