রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে, হাজী আল-মামুন আলোচনায়

উপকূলীয় জনপদ রাঙাবালী উপজেলার রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম হাজী আল মামুন। দীর্ঘ ১৭ বছরের দুঃসময়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপির) একজন নিবেদিতপ্রাণ ও ছায়া সংগঠক হিসেবে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। প্রচারবিমুখ এই নেতা এবার রাঙাবালীর মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন।

বিগত ১৭ বছর যখন রাজনীতি ছিল কণ্টকাকীর্ণ, তখন রাঙাবালীর নেতা-কর্মীদের একমাত্র ভরসার স্থল ছিলেন হাজী আল মামুন। মামলা-মোকদ্দমা, প্রশাসনিক হয়রানি কিংবা ব্যক্তিগত বিপদ—সবখানেই তিনি অভিভাবকের মতো পাশে দাঁড়িয়েছেন। সবুজ ছায়া গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে সফল এই ব্যবসায়ী রাজনীতির মাঠে কখনোই ‘পোস্টারের মানুষ’ হতে চাননি; বরং পর্দার আড়ালে থেকে দলকে সুসংগঠিত করতে অর্থ ও মেধা দিয়ে নিরলস কাজ করে গেছেন।

এছাড়াও সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য এ বি এম মোশাররফ হোসেনের পক্ষে রাঙাবালী উপজেলার নির্বাচন পরিচালনার গুরুদায়িত্ব পালন করেন তিনি। তাঁর সুচারু পরিকল্পনা ও কঠোর পরিশ্রমে উপজেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ হয়, যার প্রতিফলন ঘটে ধানের শীষের বিপুল বিজয়ে। নির্বাচনী মাঠে দিন-রাত এক করে কাজ করা এই নেতা এখন রাঙাবালীর তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রাণের মানুষে পরিণত হয়েছেন।

স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও নেতা-কর্মীদের মতে, হাজী আল মামুন কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন বিশিষ্ট দানবীর, শিক্ষানুরাগী ও ধার্মিক ব্যক্তিত্ব। উপজেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তাঁর অবদান সর্বজনস্বীকৃত।

বিশেষ করে দীর্ঘ ১৭ বছর রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে অবিচল থাকা, দলকে তৃণমূল পর্যায়ে সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খল রাখা, সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টে সবসময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া, রাঙাবালীর ভবিষ্যৎকে একটি নিরাপদ ও স্বচ্ছ নেতৃত্বের হাতে তুলে দেওয়ার প্রত্যাশায় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে চান এই নেতা।

এলাকাবাসীর মতে, এবার সময় এসেছে প্রকৃত ত্যাগী মানুষকে মূল্যায়ন করার। কাজের মানুষকে সামনে এনে রাঙাবালীর অবহেলিত জনপদকে একটি আধুনিক ও বৈষম্যহীন উপজেলায় রূপান্তর করতে হাজী আল মামুনের বিকল্প নেই।
হাজী আল মামুন বলেন, আমি পদের মোহ করি না, সবসময় জনগণের সেবা করতে চেয়েছি। রাঙাবালীর মানুষ যদি মনে করে আমি তাদের সেবক হওয়ার যোগ্য, তবে আমি তাদের প্রত্যাশা পূরণে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।

এদিকে উপকূলীয় এই জনপদের মানুষের এখন একটাই দাবি—রাঙাবালীর কণ্ঠস্বর হয়ে হাজী আল মামুনই আসুক আগামীর নেতৃত্বে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন