কক্সবাজারের চকরিয়ায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ও দুস্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে পরিবেশবাদী সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা)। সংগঠনের উদ্যোগে শনিবার (২৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৪টায় চকরিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারের নিচে ৫০টি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রীসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়।
ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ধরা চকরিয়া শাখার সভাপতি ও সিনিয়র সাংবাদিক এ.কে.এম. বেলাল উদ্দীন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক মো. আশরাফ আলী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া জেনারেল হাসপাতাল ও ট্রমা সেন্টারের চেয়ারম্যান ডা. গোলাম মোস্তফা নাদিম। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ধরা’র চকরিয়া শাখার সহ-সভাপতি ও চকরিয়া আবাসিক মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ জুবায়দুল হক, চকরিয়া বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও ধরা’র সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর ফারুক, প্রবীণ সাংবাদিক ও নির্বাহী সদস্য বশির আল মামুন, চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি আবদুল মজিদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান জিসান, মহেশখালী উপজেলা শাখার কো-অর্ডিনেটর সাংবাদিক মোহাম্মদ কাইছার হামিদ, চকরিয়া মা ও শিশু জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জাকারিয়া, শিল্প বিষয়ক সম্পাদক সোলতান আহমদ ওয়াজ উদ্দীন, প্রকৌশলী আবু নোমান, কর্মনীড় নারী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক শাহানা বেগম এবং চকরিয়া মমতা যুব মহিলা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি খুকি চৌধুরী।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধরা’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ফরিদ বাবুল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রুনা আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইশফাতুল হাসান ইশফাত, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল আলম সাগর, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক নুরুল ইসলাম সুমন, দপ্তর সম্পাদক মঈনুল ইসলাম বাবর, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মো. জিয়াউর রহমান বাবর, মা স্বাস্থ্য সেবা কেন্দ্রের ম্যানেজার বিজন কুমার বিশ্বাস, নির্বাহী সদস্য জামাল উদ্দীন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজিয়া জান্নাতসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দুর্যোগের সময় সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, সামাজিক সংগঠন ও মানবিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এগিয়ে আসা সময়ের দাবি। তারা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে ভবিষ্যতেও মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ধরা চকরিয়া শাখার সদস্য ও বিত্তবান ব্যক্তিদের আর্থিক সহযোগিতায় এ কর্মসূচির মাধ্যমে ৫০ জন দুস্থ, অসহায় ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে খাদ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেওয়া হয়েছে। মানবিক এ উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে।




