বড়াইগ্রামে জাহেদা হাসপাতালের নামে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ কর্তৃপক্ষের দাবী অপপ্রচার

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত জাহিদা হাসপাতাল ও এর স্বত্বাধিকারী ডা. মো. জাহিদুল ইসলামকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অভিযোগগুলোকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

‎হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, গুরুদাসপুর উপজেলার ধারাবাড়িষা এলাকার মোছাম্মদ আনোয়ারা (৬০) গত ৩ জুন ২০২৬ পা ভাঙার চিকিৎসার জন্য জাহিদা হাসপাতালে ভর্তি হন। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয় এবং শারীরিক অবস্থা সন্তোষজনক থাকায় ৭ জুন তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।

‎কর্তৃপক্ষের দাবি, ছাড়পত্রের সময় রোগী ও স্বজনদের নিয়মিত ড্রেসিং ও ফলো-আপের পরামর্শ দেওয়া হলেও পরবর্তীতে রোগী অন্যত্র ড্রেসিং করান। এরপর ক্ষতস্থানে সংক্রমণ দেখা দিলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হাসপাতাল ও অস্ত্রোপচারকে দায়ী করে প্রচারণা চালানো হয়।

‎ডা. মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “চিকিৎসা-পরবর্তী সংক্রমণের প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বিশেষজ্ঞ মতামত ও যথাযথ তদন্ত প্রয়োজন। এসব ছাড়া অস্ত্রোপচারকে দায়ী করা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়।”

‎রোগীর পক্ষ থেকে অস্ত্রোপচারের সময় ব্যবহৃত কোনো যন্ত্রাংশ ভেঙে হাড়ের মধ্যে থাকার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, “এ দাবির পক্ষে কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। পায়ের ভাঙা অংশ স্থিতিশীল রাখতে রড বা ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার চিকিৎসার স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ।”

‎হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা যেকোনো নিরপেক্ষ তদন্তে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই করে গ্রহণ করার জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন