সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলার জোতপাড়া এলাকায় যমুনা নদীর তীব্র ভাঙনে গভীর রাতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ অন্তত ১২টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জনতা উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন কে.কে. পশ্চিম জোতপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুটি টিনশেড ভবনের একাংশ নদীতে ধসে পড়ে। পাশাপাশি কয়েকটি বসতবাড়িও নদীগর্ভে বিলীন হয়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের ধসে পড়া অংশ নদীতে পড়ে রয়েছে। এছাড়া একটি বসতবাড়ির টিনের ঘরের অংশ নদীতে ভাসতে দেখা যায়। ভাঙন ঠেকাতে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে ঘটনাস্থলে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ডাম্পিং করা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. রবিউল মোল্লা জানান, গতকাল গভীর রাতে মাত্র ৪০ মিনিটের ব্যবধানে ভয়াবহ এ ভাঙনের ঘটনা ঘটে। এতে মোট ১২টি বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙনের আতঙ্কে আশপাশের অনেক পরিবার তাদের ঘরবাড়ি ও মূল্যবান আসবাবপত্র নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিচ্ছেন।
আরেক বাসিন্দা আনোয়ার হোসেন বলেন, “শুধু জিও ব্যাগ ডাম্পিং করে এই ভয়াবহ নদীভাঙন রোধ করা সম্ভব নয়। স্থায়ী সমাধানের জন্য দ্রুত একটি টেকসই নদী প্রতিরক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা জরুরি।”
এদিকে, স্থানীয়দের দাবি, প্রতিবছর যমুনা নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কৃষিজমি বিলীন হলেও স্থায়ীভাবে নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। তারা দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।



