ছাত্রদল করার কারণে বাবা মা হয়েছে নির্যাতিত,তিনিও কারাগারে নির্মম অত্যাচার নিপীড়নের স্বীকার
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক এবং মহানগর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি (পদমর্যাদা) রিয়াদ নিজেকে দীর্ঘদিনের জাতীয়তাবাদী রাজনীতির একজন কর্মী হিসেবে তুলে ধরেছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, গত ১৭ বছর ধরে নানা প্রতিকূলতা, রাজনৈতিক চাপ, মামলা ও নির্যাতনের মধ্য দিয়েও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ড থেকে সরে দাঁড়াননি।
সম্প্রতি আমাদের দৈনিক আজকের খবর এর সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় রিয়াদ বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বহুবার জেল-জুলুম, নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। তাঁর দাবি, তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের আমলে হরতাল, অবরোধ, পিকেটিং ও মিছিলে সক্রিয় অংশগ্রহণের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টিরও বেশি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা করা হয়। তবে এসব চাপ ও বাধা তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ থেকে তাঁকে বিচ্যুত করতে পারেনি বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার কথা স্মরণ করে রিয়াদ দাবি করেন, সে সময় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাঁকে মারধর করে ক্লাসরুম থেকে পুলিশের কাছে তুলে দেন। পরে তাঁর বিরুদ্ধে সাজানো মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিয়াদের অভিযোগ, রিমান্ড চলাকালে তাঁর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়।সেই সাথে বাড়িতে গিয়ে পুলিশ বাহিনী তার বাবা মার ওপর একাধিকবার নির্যাতন, অত্যাচার নিপীড়ন চালায়।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে চাইলে রিয়াদ বলেন, “জাতীয়তাবাদী রাজনীতি থেকে আমাকে স্বৈরাচার এত নির্যাতনের পরেও রাজপথ ছাড়াতে পারেনি। দেশ গড়ার সংগ্রামে সবসময় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করতে চাই।”
রাজনৈতিক জীবনের নানা চড়াই-উতরাইয়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে রিয়াদ বলেন, আদর্শ ও দেশের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকতে চান এবং দেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করে যেতে আগ্রহী।




