সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী

‘সবুজ বাংলাদেশ’ গড়ার প্রত্যয়ে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদলের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি; নেতৃত্বে মাহবুবুল আলম ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মো: সাগর ফকির
 পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদল। রবিবার (১৯ জুলাই ২০২৬) কলেজ প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন ছাত্রদল নেতা মাহবুবুল আলম ও সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মো: সাগর ফকির।
বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত ‘৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করে আয়োজিত এ উদ্যোগে ফলজ, বনজ ও ফুলজ গাছের বিভিন্ন প্রজাতির চারা রোপণ করা হয়। কর্মসূচিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ক্যাম্পাসকে আরও সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব করে তুলতে একযোগে কাজ করেন।
আলোচনা পর্বে বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি টেকসই ও সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকারের পাশাপাশি সমাজের প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ এবং গাছের পরিচর্যায় আন্তরিক ভূমিকা পালন করতে হবে।
এ সময় মো: সাগর ফকির বলেন, “দেশকে সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য রাখতে বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দায়িত্ব। তরুণ সমাজকে পরিবেশ সংরক্ষণে আরও সম্পৃক্ত করতে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ছাত্রদল ভবিষ্যতেও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও পরিবেশবান্ধব কর্মসূচি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করবে।”
কর্মসূচিতে সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজের অধ্যাপক মো: আলমগীর হোসেন মিয়া, সহযোগী অধ্যাপক আরিফা মহসিনা,বিএডের শিক্ষার্থী মো: মাহবুবুল আলম সহ ছাত্রদলের অন্যান্য নেতাকর্মী এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, ক্যাম্পাসে সবুজায়ন সম্প্রসারণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও পরিবেশবান্ধব বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

মন্তব্য করুন

এ সম্পর্কিত আরো পড়ুন

রাতের ভোটের ডিসি সরোজ নাথ ও আ’লীগ নেতা মিন্টুর লুটপাট প্রকল্পনামে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর চত্বর হলেও ছিল না কোনো অবয়ব ৩২ লাখের প্রকল্পের ফাইল গায়েব

ঝিনাইদহ শহরের প্রবেশদ্বার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যান